#408054
✓ Verified & Published
❌ Not Refunded
ঘুষ দাবি বা গ্রহণের অভিযোগ
Published Date
October 22, 2026
Accountability Demanded
৳30,000
Status: refused
Geographical Location
Kishoreganj
Country: Bangladesh
Incident Description
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে দোকান ও বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিপক্ষ মুর্শেদ মিয়ার নম্বর থেকে ৩ অক্টোবর বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে ওসির ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানো হয়।
লেনদেনের তথ্য অনুযায়ী, ওসি মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর ০১৭১২৬৩৭৪১৮-এ ৩০ হাজার টাকা সেন্ড মানি করা হয়। লেনদেনের শনাক্তকরণ নম্বর ডিজে৩২সিপিবি৪০০।
৩ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে পৌর শহরের কমলপুর এলাকায় মনির কন্ট্রাক্টরের বাড়ি ও দোকানের জায়গা দখলের চেষ্টা হয়। অভিযোগ রয়েছে, মুর্শেদ মিয়ার লোকজন সেখানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালান।
ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ ও হাবিবুর রহমানের পক্ষ থেকে ভাঙচুরের বিষয়ে থানায় ফোন করে পুলিশে জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় নেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাস্তার পশ্চিম পাশে দাঁড়িয়ে থাকে।ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি, বিকাশে টাকা লেনদেন হয়েছে। যদি অভিযোগ আসে, তখন বিকাশ কল সেন্টার থেকে স্টেটমেন্ট এনে যাচাই-বাছাই করে যদি ওসির নম্বরে ঘুষের লেনদেন পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করবে।
লেনদেনের তথ্য অনুযায়ী, ওসি মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর ০১৭১২৬৩৭৪১৮-এ ৩০ হাজার টাকা সেন্ড মানি করা হয়। লেনদেনের শনাক্তকরণ নম্বর ডিজে৩২সিপিবি৪০০।
৩ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে পৌর শহরের কমলপুর এলাকায় মনির কন্ট্রাক্টরের বাড়ি ও দোকানের জায়গা দখলের চেষ্টা হয়। অভিযোগ রয়েছে, মুর্শেদ মিয়ার লোকজন সেখানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালান।
ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ ও হাবিবুর রহমানের পক্ষ থেকে ভাঙচুরের বিষয়ে থানায় ফোন করে পুলিশে জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় নেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাস্তার পশ্চিম পাশে দাঁড়িয়ে থাকে।ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি, বিকাশে টাকা লেনদেন হয়েছে। যদি অভিযোগ আসে, তখন বিকাশ কল সেন্টার থেকে স্টেটমেন্ট এনে যাচাই-বাছাই করে যদি ওসির নম্বরে ঘুষের লেনদেন পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করবে।
Case Rating & Community Feedback
Rate this case or leave a comment. Login required to participate.
★
0
(0 ratings)
Comments
No comments yet. Be the first to comment.